অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায় প্রকাশের পর নতুন সংবিধান প্রণয়ন ও ছাপানোর প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত। তবে পুনর্বহাল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো কেমন হবে—তা নির্ধারণ করবে পরবর্তী জাতীয় সংসদ।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) আপিল বিভাগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনর্বহালে জনগণ এখন নিজের ভোট নিজে দিতে পারবে। আর দিনের ভোট রাতে হবে না, কিংবা মৃত মানুষও ভোট দেবে—এমন অনিয়মের পুনরাবৃত্তি আর হবে না। দেশ আবার গণতান্ত্রিক মহাসড়কে হাঁটা শুরু করেছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক গণতন্ত্রকে ‘কবর’ দিয়েছিলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, “পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর জানা যাবে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন। আগের কাঠামো অনুসারে হবে নাকি জুলাই সনদ অনুযায়ী হবে—তা তখন পরিষ্কার হবে।”
ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা
এর আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।
বেঞ্চে থাকা অন্য বিচারপতিরা হলেন—
বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম,
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী,
বিচারপতি মো. রেজাউল হক,
বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক,
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও
বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে আদালত ২০ নভেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন।
kalchitro.com সত্য প্রকাশে সবার আগে প্রতি মুহূর্তে