জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-তে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জুলাই আন্দোলনের দুই সম্মুখসারির যোদ্ধা।
শিবির-সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জুলাইয়ে কারা নির্যাতিত নূর নবী, আর ছাত্রদল-সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জুলাইয়ে গুলিবিদ্ধ অনিক কুমার দাস।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুই জনই নিজ নিজ প্যানেলের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মনোনয়ন জমা শেষে নূর নবী বলেন,
“আজকের জকসু নির্বাচনের মূল চাবিকাঠি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান। সেই দিন না হলে আমরা হয়তো আজ বেঁচেও থাকতাম না। অনিক আমার সহযোদ্ধা—আমি গ্রেপ্তার হওয়ার তিন দিন আগে তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা আমার চোখের সামনেই দেখি। এই পদে যেই জিতুক, তা আমাদের দুজনেরই বিজয়।”
অনিক কুমার দাস বলেন,
“এই পদের জন্য আমরা দুজনই যোগ্য। নূর নবী ভাই বা আমি—যে-ই নির্বাচিত হই, সেটি দুজনেরই জয়। আমরা দুজন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখব এবং জুলাই আন্দোলনের স্পিরিট সংরক্ষণে কাজ করব।”
নূর নবী ও অনিক—দুজনেই ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৬ জুলাই সিএমএম কোর্ট প্রাঙ্গণে যুবলীগ নেতাদের গুলিতে অনিক আহত হন। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে অনিক ও ফেরদৌস শেখ এবার জকসু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ফেরদৌস সমাজসেবা সম্পাদক পদে ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান প্যানেল থেকে লড়ছেন।
অন্যদিকে, ১৯ জুলাই আন্দোলনরত অবস্থায় ডিবি নূর নবীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট থেকে তুলে নেয়। দুই দিন গুম করে রাখার পর তাকে শাহবাগ থানার নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। রিমান্ডে তার দুই হাত ভেঙে দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।
kalchitro.com সত্য প্রকাশে সবার আগে প্রতি মুহূর্তে