লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় শহর সিডনে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলায় ১৩ জন নিহত ও আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।—রয়টার্স।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সিডনের কাছে জনাকীর্ণ আইন আল-হিলওয়েহ শরণার্থী শিবিরে হামলাটি চালানো হয়। তাদের দাবি, ওই এলাকায় ‘জঙ্গিদের’ একটি প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালিত হচ্ছিল এবং ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালাতে এই কম্পাউন্ড ব্যবহার করে আসছিল।
হামাস অবশ্য এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, “হামাসের কোনো প্রশিক্ষণ কম্পাউন্ড সেখানে নেই—ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। নিজেদের আগ্রাসনের বৈধতা দিতেই এমন গল্প তৈরি করছে তারা।”
হামাসের দাবি, যেখানে হামলা চালানো হয়েছে সেটি স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যবহৃত একটি উন্মুক্ত খেলার মাঠ। তাদের বক্তব্য, লেবাননের কোনো শরণার্থী শিবিরেই সামরিক স্থাপনা নেই।
ইসরায়েলি বাহিনী বর্তমানে লেবাননের ভেতরে পাঁচটি পোস্টে অবস্থান নিয়ে আছে এবং প্রায়ই দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে। তাদের দাবি, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ এবং কখনও কখনও হামাসের সদস্যদের লক্ষ্য করেই এসব আক্রমণ।
গত বছর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি অনুযায়ী ইসরায়েলকে লেবানন থেকে পুরোপুরি সরে যাওয়ার কথা ছিল এবং দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র থাকবে—তবে এর বাস্তবায়ন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
kalchitro.com সত্য প্রকাশে সবার আগে প্রতি মুহূর্তে