ইলিশ, কোরাল, চিংড়ি, কাঁকড়া, লবস্টার— এমন সব তাজা সামুদ্রিক মাছ দিয়ে তৈরি নানা রকম খাবারে ভরে উঠেছিল কক্সবাজারের হোটেল রামাদা। শুক্রবার দিনভর চলে ‘সি-ফুড ফেস্টিভ্যাল’, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
উৎসবটি শুরু হয় সকাল ১০টা থেকে এবং চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর সহযোগিতায় এ আয়োজনে অংশ নেয় এমবোলডেন বাংলাদেশ, নেক্সট শিখন ও হোটেল রামাদা কর্তৃপক্ষ।
উৎসবস্থলে দেখা যায়, ১৬টি স্টলে সাজানো হয়েছে রকমারি সামুদ্রিক খাবার। ইলিশের আচার, কাঁকড়ার কারি, শৈবাল দিয়ে তৈরি স্যুপ-পুডিং, সামুদ্রিক মাছের পিঠা— এসব নতুন স্বাদের পদ ঘুরে দেখছেন ও চেখে দেখছেন আগত অতিথিরা।
সকালেই হোটেল রামাদার সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। আর রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে এর পরিসমাপ্তি ঘটে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সোলতানা, কক্সবাজার উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জাহানারা ইসলাম, হোটেল রামাদার মহাব্যবস্থাপক চেভান গুনেরাত্নে, এমবোলডেন বাংলাদেশের উপদেষ্টা হাসনা হুরাইন চৌধুরী, টুয়াক আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, এনরুটের টিম লিডার ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়া, এমবোলডেন বাংলাদেশের সভাপতি ইনজামামুল হক এবং নেক্সট শিখনের নির্বাহী পরিচালক তামান্না নওরিন।
এ সময় বক্তারা বলেন, কক্সবাজার শুধু ভ্রমণের জন্য নয়, সংস্কৃতি ও রন্ধনশৈলীতেও দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান।
সহকারী কমিশনার শারমিন সোলতানা বলেন, “ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, খাদ্যাভ্যাস ও সামাজিক বৈচিত্র্যের কারণে কক্সবাজার সবার কাছেই বিশেষ আকর্ষণীয়। এমন আয়োজন এই জেলার পর্যটন ও সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”
এমবোলডেন বাংলাদেশের সভাপতি ইনজামামুল হক বলেন, “এই উৎসবের লক্ষ্য স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতা বাড়ানো ও উপকূলীয় অর্থনীতিকে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া। আগামী বছর এই আয়োজন আরও বৃহৎ পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
kalchitro.com সত্য প্রকাশে সবার আগে প্রতি মুহূর্তে